Skip to main content

|| এ ক টু খা নি স ম য় নি য়ে ||

একটা সময়ে কারো ইংরেজি বানান বা গ্রামারে ভুল দেখলে বাকি সবার মতই আমি খুব হাসতাম, কিন্তু এখন ভাবি, তারা তোহ স্বেচ্ছায় ভুলটা শেখেনি বা পড়েনি | এটা আমাদের মত শিক্ষিতদের ব্যার্থতা যে আমরা ভুলটা শুদ্ধ না করে বরঞ্চ হাসিঁ এবং সেটাকে লোকের সামনে এনে তাদের লজ্জা দেই | যেমনটা মায়ের পেট থেকে কেউ শিখে আসেনি তেমনই সবার ভাগ্যে ভালো শিক্ষা কিংবা শিক্ষক জোটেনা | অতএব সেক্ষেত্রে তাদের পুনরায়, সঠিকটা শিখিয়ে দেয়ার দায়িত্বটাও আমাদেরই | না এর জন্য কোন স্কুল বানানোর প্রয়োজন নেই আপনার, শুধু কেউ ভুল করলে তাকে আস্তে করে, একটু মানুষের অগচোরে বিনা লজ্জা দিয়ে শুধ্রে দিলেই চলবে | এরকম করে এক থেকে দুই, দুই থেকে তিন, তিন থেকে অনেক! শিক্ষার হার হয়ত বাড়বে না, কিন্তু মানুষ সঠিক তাতোহ জানবে? ধরুন কোন ফার্মেসীর দোকানে দাঁড়িয়ে আছেন, পাশে কোন বৃদ্ধ বা বৃদ্ধার হাতে প্রেস্ক্রিপশান দেখতে পেলেন এবং বুঝলেন যে তারা শিক্ষিত নয়, পড়তে লিখতে জানেন না কিভাবে কি কিনবেন বুঝতে পারছেন না, এটা মনে করে পাশ কাটিয়ে চলে আসবেন না যে ফার্মাসিস্ট তোহ আছেনই, তাদের সাহায্য করুন | দু-এক মিনিট দেরি হলে এ কারনে, খুব বেশি ক্ষতি হবে না আপনার আশা করি | হ্যা এ সত্য, এখন আর জেঁচে পড়ে আর কেউ উপকার করতেও চান না, আর কেউ নিতে! কিন্তু যার লাগবে সে ঠিকই নিবেন । তাই অবশ্যই সাহায্য করুন, আগ বাড়িয়েই করুন, কিছু ফেরত না পাবার আশা নিয়েই করুন । দেখবেন কি করে পৃথিবীতে শান্তি ফেরত আসে ।

কিন্তু ওই যে, দিন শেষে! কে শুনে কার কথা, কে দেখে কার সুদিক, আর কেই বা হয় কার সখা? সবই তোহ মোরা সার্থপরের দুনিয়ায়!

Comments

Popular posts from this blog

২০১৬ এর পরের ঈদ

আমার প্রতি বছরের চাঁদ রাত কেটে যেত পাপার হয়ে সবাই কে ঈদের শুভেচ্ছা মূলক মেসেজ লিখে পাঠাতে | পাপার ছিল button mobile phone তাই তখন কোনো সহজ উপায় ছিল না তাতে যে মেসেজ forward কিংবা copy and paste করা যাবে, সব individually লিখতে হতো এবং সেটা individually send o করতে হতো! তবুও আমি মহা আনন্দের সাথেই কাজ টা খুবই দায়িত্বএবং গুরুত্ব নিয়ে করতাম | আমার ছোট্ট কাঁধে পাপার দেয়া এই দায়িত্বে খুব গর্ব বোধ করতাম! তার পরের দিনই অর্থাৎ ঈদের দিনই নানুর কাছে ছুটে যেতাম | আমার নানুর মত রান্না কেউ পারবে না, আমার আম্মুও না (যার রান্না এমনিতেও অতুলনীয় তবুও না), নানু খাওয়াতোও একদম ঠেসে- ঠূসে | এমন আদর যত্ন করে সত্য বলতে, আমার আম্মুও খাওয়াতে পারবে না | এত আদর পৃথিবীর আর কেউ আমাকে করতে পারবে না | আমার নানা - নানুর মত আদর আমাকে আর কেউ দিতে পারবে না | মনে পড়ে ছোট্ট বেলায় আমার দাদী আপাও আমাকে প্রচণ্ড আদরে রেখেছেন | আমি তার কাছে গেলেও আমাকে এই বৃদ্ধ হাত দিয়েও কোলে করে রাখতেন, ছাড়তেন না!  এটাই ছিল আমার কাছে ঈদের সব চাইতে অন্যতম মজা আর আনন্দ | এখন বুঝি লিখা- লিখি কেন এত ভালো লাগে কারণ তখনও লাগত, হয়তো ...

Do what has to be done!

ভালোবাসা মানুষের মনকে নরম করে, শক্ত নয়! মন থেকে ভালোবাসলে সেই মানুষের নামে খারাপ কথা শুনা কিংবা বলা যায় না! ওই মানুষকে কষ্ট দিতে পারা যায় না! সেই মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা রটানো যায় না, সেই মানুষের বদনাম করা যায় না, সেই মানুষের সকল দোষ, গুন মনে হয়! কিন্তু সবার ভাগ্যে সেরকম ভালোবাসা জুটে না! সেটা ফ্যামিলি থেকে হোক, কিংবা আত্মীয় স্বজনদের থেকে হোক বা যার থেকেই হোক! অতএব মন পরিষ্কার রেখে ভালো কাজ করে যেতে হবে! যার বুঝার হবে সেই এমনিতেই বুঝবে, যার ভালোবাসার এমনিতেই বাসবে! যার না বুঝার, সে কিছুতেই বুঝবে না, হাজার মন জয় করার সফলতার মাঝেও ব্যর্থতাই কাজ করবে!  

সত্যি বলছি, মিথ্যা নাকি সত্য, আর জানা নাই।

 আজব এক দেশে জন্ম নিলাম, ভাই! সরকারের সাথে সাথে ইতিহাসও পাল্টায়।  তার মানে হচ্ছে, আগামী প্রতি দশ বছর অন্তর অন্তর আপনাদের হয় পাকিস্তান শত্রু না হয় ভারত। প্রতি কয়েক বছর বছর হঠাৎ ইতিহাস হবে আপনাদের বুদ্ধিজীবীদের পাকিস্তান হত্যা করেছে আর না হয় ভারত। একটা সময় হয়ত শুনতে পাব, আপনাদের দেশে কোনো যুদ্ধই হয় নাই। এম্নে এম্নে জন্মায় গেছে ভারত আর পাকিস্তানের দয়ায় আর সকল কিছু গুজব, মিডিয়ার সৃষ্টি।  আপনারা tired হন না!?