Skip to main content

|| ELECTRA ||

|| ELECTRA ||

রাত ৪.৪০, হাসপাতালের কোন মা মনে হয় সন্তান জন্ম দেবার আগে এরকম করে চিৎকার করেননি! হাসপাতালের ইলেক্ট্রিসিটি নেই | রেজয়ান সাহেব ভয়ে আছেন, তার মেয়ের চিৎকার নিতে পারছেন না সে, আর এদিকে ডাক্টাররা তাদের পক্ষে সম্ভব সব চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মোম ও টর্চ দিয়ে যদি কোন রকম ডেলিভারিটা করানো যায়! তারা বলেছেন রেয়ার কেস, বাচ্চার মাথা দেখাই যাচ্ছে না, বাচ্চাকে বের করার কোন উপায় করা যাচ্ছে না, আর এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় কোন সরঞ্জামও ব্যবহার করা যাচ্ছে না  | তবে রেজয়ান সাহেবকে বলে দেয়া হয়েছে যে তার মেয়ে নাও বাচঁতে পারে | কেননা এখনই বাচ্চা বের না করলে আর মা কিংবা সন্তান কারও পক্ষেই বাচাঁ সম্ভব নয়!
মেনে নেননি রেজয়ান সাহেব | হাসপাতালের নিচেঁ একটা ছোট ঘরে নামাজের স্থান, সেখানে পড়ে আছেন জায়নামাজে | মেয়েকে আল্লাহর কাছে ভিক্ষা চান তিনি,  ঠিক ৪ মিনিট পড়েই আল্লাহর কুদরত দেখতে পেলেন | তার মেয়ে কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছেন সুস্থ্য সবল ভাবে |

৪.৪৪ মিনিটে জন্ম দেন তার নাতিনকে রেজয়ান সাহেবের মেয়ে, তরা | জন্ম দেবার সাথে সাথেই হাসপাতালের ইলেক্টিসিটি চলে আসে, এবং সবাইকে অবাক হতবাক করে বাচ্চাটিকে যখন মায়ের পেট থেকে বের করে পাশে রাখা হয়, তখন কি করে যেন সেখানে একটি কারেন্টের তার এসে পরে বাচ্চাটার গায়ে লাগে, আর বার বার লাগতে থাকে, কিন্তু তার কিছুই হয় না | এ দেখে সকলে বাচ্চাটির দিকে ভয়ে ভয়ে দেখে, কেননা, এই কারেন্ট গায়ে লাগলে সাথে সাথেই মারা যাবার কথা, কি করে সম্ভব যে বাচ্চাটির কিছুই হয়নি?
.
.
.
.
(চলবে)

Comments

Popular posts from this blog

২০১৬ এর পরের ঈদ

আমার প্রতি বছরের চাঁদ রাত কেটে যেত পাপার হয়ে সবাই কে ঈদের শুভেচ্ছা মূলক মেসেজ লিখে পাঠাতে | পাপার ছিল button mobile phone তাই তখন কোনো সহজ উপায় ছিল না তাতে যে মেসেজ forward কিংবা copy and paste করা যাবে, সব individually লিখতে হতো এবং সেটা individually send o করতে হতো! তবুও আমি মহা আনন্দের সাথেই কাজ টা খুবই দায়িত্বএবং গুরুত্ব নিয়ে করতাম | আমার ছোট্ট কাঁধে পাপার দেয়া এই দায়িত্বে খুব গর্ব বোধ করতাম! তার পরের দিনই অর্থাৎ ঈদের দিনই নানুর কাছে ছুটে যেতাম | আমার নানুর মত রান্না কেউ পারবে না, আমার আম্মুও না (যার রান্না এমনিতেও অতুলনীয় তবুও না), নানু খাওয়াতোও একদম ঠেসে- ঠূসে | এমন আদর যত্ন করে সত্য বলতে, আমার আম্মুও খাওয়াতে পারবে না | এত আদর পৃথিবীর আর কেউ আমাকে করতে পারবে না | আমার নানা - নানুর মত আদর আমাকে আর কেউ দিতে পারবে না | মনে পড়ে ছোট্ট বেলায় আমার দাদী আপাও আমাকে প্রচণ্ড আদরে রেখেছেন | আমি তার কাছে গেলেও আমাকে এই বৃদ্ধ হাত দিয়েও কোলে করে রাখতেন, ছাড়তেন না!  এটাই ছিল আমার কাছে ঈদের সব চাইতে অন্যতম মজা আর আনন্দ | এখন বুঝি লিখা- লিখি কেন এত ভালো লাগে কারণ তখনও লাগত, হয়তো ...

Do what has to be done!

ভালোবাসা মানুষের মনকে নরম করে, শক্ত নয়! মন থেকে ভালোবাসলে সেই মানুষের নামে খারাপ কথা শুনা কিংবা বলা যায় না! ওই মানুষকে কষ্ট দিতে পারা যায় না! সেই মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা রটানো যায় না, সেই মানুষের বদনাম করা যায় না, সেই মানুষের সকল দোষ, গুন মনে হয়! কিন্তু সবার ভাগ্যে সেরকম ভালোবাসা জুটে না! সেটা ফ্যামিলি থেকে হোক, কিংবা আত্মীয় স্বজনদের থেকে হোক বা যার থেকেই হোক! অতএব মন পরিষ্কার রেখে ভালো কাজ করে যেতে হবে! যার বুঝার হবে সেই এমনিতেই বুঝবে, যার ভালোবাসার এমনিতেই বাসবে! যার না বুঝার, সে কিছুতেই বুঝবে না, হাজার মন জয় করার সফলতার মাঝেও ব্যর্থতাই কাজ করবে!  

সত্যি বলছি, মিথ্যা নাকি সত্য, আর জানা নাই।

 আজব এক দেশে জন্ম নিলাম, ভাই! সরকারের সাথে সাথে ইতিহাসও পাল্টায়।  তার মানে হচ্ছে, আগামী প্রতি দশ বছর অন্তর অন্তর আপনাদের হয় পাকিস্তান শত্রু না হয় ভারত। প্রতি কয়েক বছর বছর হঠাৎ ইতিহাস হবে আপনাদের বুদ্ধিজীবীদের পাকিস্তান হত্যা করেছে আর না হয় ভারত। একটা সময় হয়ত শুনতে পাব, আপনাদের দেশে কোনো যুদ্ধই হয় নাই। এম্নে এম্নে জন্মায় গেছে ভারত আর পাকিস্তানের দয়ায় আর সকল কিছু গুজব, মিডিয়ার সৃষ্টি।  আপনারা tired হন না!?